Showing posts with label কৃষি খবর. Show all posts
Showing posts with label কৃষি খবর. Show all posts

Monday, June 6, 2022

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে তাৎক্ষণিক সেবা পৌঁছাতে কল সেন্টার চালু

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে তাৎক্ষণিক সেবা পৌঁছাতে কল সেন্টার চালু

 মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে মানুষের দ্বারপ্রান্তে তাৎক্ষণিক সেবা পৌঁছে দিতে কল সেন্টার চালু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।




 

রবিবার (৫ জুন) রাজধানীর মৎস্য ভবনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে ই-সেবা কার্যক্রম চালুকরণ’ প্রকল্পের আওতায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সেবা কল সেন্টারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী একথা জানান।


মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী, অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার ও মো. তৌফিকুল আরিফ, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হক, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদা, সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালক পুলকেশ মন্ডলসহ মন্ত্রণালয়, মৎস্য অধিদপ্তর ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।


মন্ত্রী আরও বলেন, আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে ডিজিটাল বাংলাদেশ। কল সেন্টারের মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশের অপ্রতিরোধ্য গতিতে মৎস্য অধিদপ্তর ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর সংযুক্ত হয়েছে। প্রান্তিক পর্যায় থেকে শুরু করে যে কোন ব্যক্তি তার প্রয়োজনে সরাসরি সংযুক্ত হওয়ার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে এই ই-সেবা শুরু করা হয়েছে। গতানুগতিক পদ্ধতির বাইরে দ্রুততম সময়ে যাতে মানুষের পাশে দাঁড়ানো যায় সেজন্য কল সেন্টার চালু করা হয়েছে।


তিনি আরও যোগ করেন, প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য খাতে যে সমৃদ্ধি এসেছে তা ধরে রেখে এ খাতকে আমরা আরও উত্তরোত্তর সমৃদ্ধ করতে চাই। শুধু সমৃদ্ধিই নয় গুণগত পরিবর্তনও এক্ষেত্রে আমাদের লক্ষ্য। কোন খামারি প্রতিকূল অবস্থার মুখোমুখি হলে বা কোন সমস্যায় পড়লে তাদের কাছে তাৎক্ষণিক সুবিধা উন্মুক্ত করার জন্য এ কল সেন্টার কাজ করবে। দেশের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে বিশ্বে বিস্ময়কর ও আধুনিক স্থানে নিয়ে যাওয়ার জন্য কল সেন্টার হবে বড় ধরনের সহায়ক।


মন্ত্রী বলেন, কল সেন্টার একটি জরুরী সেবা। এখানে সেবার মনোভাবের পরিবর্তে দায়সারা কোন কার্যক্রম যেন না হয় সেটি লক্ষ্য রাখতে হবে। কল সেন্টারে যিনি কল করছেন তিনি এদেশের নাগরিক। সে নাগরিকের সেবা পাওয়ার সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে। সেবা প্রত্যাশীদের প্রতিটি কল গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করতে হবে। নাগরিকদের সেবা দেয়া আমাদের লক্ষ্য। তাদের সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখতে হবে। এভাবে ডিজিটালাইজেশনের ধারা অব্যাহত রেখে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে আমূল পরিবর্তন চতুর্দিকে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।


উল্লেখ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে রাজধানীতে মৎস্য অধিদপ্তরের সদর দপ্তরে ১টি ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সদর দপ্তরে অপর ১টিসহ মোট ২টি কল সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। মৎস্য অধিদপ্তরের কল সেন্টারের নম্বর ১৬১২৬ এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কল সেন্টারের নম্বর ১৬৩৫৮। আপাতত সপ্তাহে ৫দিন (রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার) সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত মৎস্য খাতের ও প্রাণিসম্পদ খাতের খামারি ও উদ্যেক্তারা কলসেন্টার থেকে সরাসরি সেবা পাবেন। মৎস্যচাষী ও খামারিগণ মৎস্য চাষ, মাছের রোগবালাই ইত্যাদি সম্পর্কে টেলিফোন কল সেন্টার থেকে তথ্য ও সেবা পাবেন। একইভাবে প্রাণিসম্পদ খাতের খামারি ও উদ্যোক্তাগণ প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কল সেন্টার থেকে গবাদিপশু পালন ও ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে পরামর্শ ও সেবা পাবেন

............Tag.........

ফসল, পশু-পাখি পালন, কৃষি প্রযুক্তি, শাক-সবজি, crops, দানাশস্য, পশু-পাখির রোগ, ডিজিটাল বই, মৎস্য চাষ, পশুপাখির খাদ্য, বিবিধ, অর্থকরী ফসল, বায়োফ্লক, জৈব, কৃষি, ডাল, ১২ মাসের রুটিন, গরুর জাত, তেলবীজ, ফসলের রোগ, গরু, মসলা, ছাগল পালন, ধানের রোগ, ফল, ঔষধি উদ্ভিদ, চাষ পদ্ধতি, পেঁয়াজ, ভেষজ, livestock, ছাগলের খামার, ধান, নগরকৃষি, মুরগির জাত, হাইড্রোপনিক, ওষুধি গাছ, গরু মোটাতাজাকরণ, জমিজমা, তুলা-রেশম ,দেশী জাতের গরু, প্রাণী অধিকার, ভ্যাকসিন, সাথি ফসল, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি, ছাগল, ছাগলের জাত, ছাদবাগান, বিকল্প খামার, বিদেশী ফসল ,ভূমি পরিমাপ, মোটাতাজাকরণ, লাইভস্টক, garden ,আলু, গরুর খামার, ডেইরি, দুগ্ধ খামার, ফলের বাগান, ভেড়া, মুরগি, মুরগী হাইড্রোপনিক পদ্ধতি,chicken grass, আদি জাত, আন্তঃফসল, ইউরিয়া, উন্নত জাত, এমওপি ,কাঠ, কৃমিনাশক, কৃষি ক্যালেন্ডার, কোল্ড ইনজুরি, ক্যাপসিকাম, ক্রনিক ব্লট, খরগোশ, খাঁচায় মাছ চাষ, খাটো হাইব্রিড নারিকেল, খেসারি, খড়ের পুষ্টিগুণ, গরু হিটে না আসার কারণ, গরুর খাবার, গরুর শেড, গরুর-জাত, গাভী পালন, গাড়ল, গোখাদ্য, ঘোড়া শিম, চট্টগ্রামের লাল গরু, চিংড়ি, চোখের কৃমি, ছাগল পরিবহন, জিঙ্ক, জৈব বালাইদমন, টমেটো চাষ, টিএসপি, ডিওপি, ড্যাপ, ড্রাগন ফল, তুলা চাষ পদ্ধতি, ত্বীন ফল, দলিলপত্র, ধানের খোল পচা রোগ, ধানের পাতা পোড়া রোগ, ধানের ব্লাস্ট, ধানের লক্ষ্মীর গু, নর্থ বেঙ্গল গ্রে ক্যাটল, নারিকেল, নার্সারি, নীল, পটাশ, পাউলোনিয়া, পাবনা ক্যাটল, পেট ফাঁপা ও ডায়রিয়া, ফসলের পুষ্টি ঘাটতির লক্ষণ, বাঁশ, বাদামি দাগ রোগ, বারি জ্যাক শিম-১, বালাইনাশক, বিইউ শিম ৫, বিসিএস স্কোর, বেলজিয়ান ব্লু, ব্রয়লার, ব্রয়লার মুরগি, ব্লাড প্রোটোজোয়া, ব্ল্যাক বেঙ্গল, ভেড়া পালন, মহিষ, মহিষ পালন, মাছ, মাছ চাষ, মাজরা পোকা, মাটির স্বাস্থ্য, মিরকাদিমের সাদা গরু, মুন্সীগঞ্জ জাতের গরু, মুরগির টিকা. ময়ূরের খামার, রাসায়নিক সার, রেড চিটাগাং ক্যাটল, লাউ, লিভার টনিক, লেবু, লেয়ার মুরগি পালন, শুকর পালনশেড নির্মাণ, সংকর জাতের গরু, স্টিভিয়া, স্ট্রবেরি চাষ, হাঁস পালন, হাঁস-মুরগি পালন, হাজল পদ্ধতিতে মুরগীর বাচ্চা ফুটানো

Saturday, June 4, 2022

আবারও শুরু হলো ভারত থেকে গম আমদানি!

আবারও শুরু হলো ভারত থেকে গম আমদানি!

 


গমের বাজার স্থিতিশীল করতে আমনানি শুরু বাংলাদেশের আমদানীকারকরা। দিনাজপুরের হিলি স্থুলবন্দর দিয়ে শুরু হয়েছে গম আমদানি। ১৩ মে ভারত সরকার গম রপ্তানি বন্ধের ঘোষনার দেয়। তারপর কয়েক দফা বন্ধ চালু হওবার পর আবার চালু হলো ভারত থেকে গম আমদানি।


জানা যায়, বুধবার এবং বৃহস্পতিবার হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ৩৩টি গমবোঝাই ট্রাকে গম আমদানি হয়েছে। তাছাড়া কিছু ট্রাক আটকা পড়ে আছে ওপারে।


বন্দরের সিএন্ডএফ এজেন্টের বন্দর বিষয়ক সম্পাদক রবিউল ইসলাম সুইট বলেন, মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে ১৩ মে ভারত গম রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এতে বন্দর দিয়ে গম আসা বন্ধ হয়ে যায়। পরে আগের টেন্ডার হওয়া গম রফতানির সিদ্ধান্ত হওয়ায় রোববার (২৯ মে) ভারত থেকে ২টি ট্রাকে ৭৮ টন গম আমদানি হয়েছে। এরপর আবারো আমদানি বন্ধ হয়ে যায়।


তিনি বলেন, কয়েক দফা বন্ধ ও চালুর মধ্য দিয়ে ফের শুরু হয়েছে আগের টেন্ডারের গম রফতানি। এখনো অনেক গমবোঝাই ট্রাক আটকা পড়ে আছে ওপারে। দীর্ঘদিন ট্রাকে আটকা থাকায় পণ্যের মান নিয়েও দুশ্চিন্তায় রয়েছেন আমদানিকারকরা।


এদিকে আগে ডলারের দাম কম থাকলেও, দিন দিন তা বাড়তির দিকে থাকায় বিল ছাড়তে বাড়তি অর্থ গোনার দুশ্চিন্তায় পড়েছেন আমদানিকারকরা।


হিলি পানামা পোর্টের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন প্রতাব মল্লিক বলেন, বুধবার থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে গম আমদানি শুরু হয়েছে। আমরা দ্রুত ভারতীয় ট্রাক থেকে গম খালাস করে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করতে ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা করছি।


...............................................................TAG...................................................................................

ফসল, পশু-পাখি পালন, কৃষি প্রযুক্তি, শাক-সবজি, crops, দানাশস্য, পশু-পাখির রোগ, ডিজিটাল বই, মৎস্য চাষ, পশুপাখির খাদ্য, বিবিধ, অর্থকরী ফসল, বায়োফ্লক, জৈব, কৃষি, ডাল, ১২ মাসের রুটিন, গরুর জাত, তেলবীজ, ফসলের রোগ, গরু, মসলা, ছাগল পালন, ধানের রোগ, ফল, ঔষধি উদ্ভিদ, চাষ পদ্ধতি, পেঁয়াজ, ভেষজ, livestock, ছাগলের খামার, ধান, নগরকৃষি, মুরগির জাত, হাইড্রোপনিক, ওষুধি গাছ, গরু মোটাতাজাকরণ, জমিজমা, তুলা-রেশম ,দেশী জাতের গরু, প্রাণী অধিকার, ভ্যাকসিন, সাথি ফসল, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি, ছাগল, ছাগলের জাত, ছাদবাগান, বিকল্প খামার, বিদেশী ফসল ,ভূমি পরিমাপ, মোটাতাজাকরণ, লাইভস্টক, garden ,আলু, গরুর খামার, ডেইরি, দুগ্ধ খামার, ফলের বাগান, ভেড়া, মুরগি, মুরগী হাইড্রোপনিক পদ্ধতি,chicken grass, আদি জাত, আন্তঃফসল, ইউরিয়া, উন্নত জাত, এমওপি ,কাঠ, কৃমিনাশক, কৃষি ক্যালেন্ডার, কোল্ড ইনজুরি, ক্যাপসিকাম, ক্রনিক ব্লট, খরগোশ, খাঁচায় মাছ চাষ, খাটো হাইব্রিড নারিকেল, খেসারি, খড়ের পুষ্টিগুণ, গরু হিটে না আসার কারণ, গরুর খাবার, গরুর শেড, গরুর-জাত, গাভী পালন, গাড়ল, গোখাদ্য, ঘোড়া শিম, চট্টগ্রামের লাল গরু, চিংড়ি, চোখের কৃমি, ছাগল পরিবহন, জিঙ্ক, জৈব বালাইদমন, টমেটো চাষ, টিএসপি, ডিওপি, ড্যাপ, ড্রাগন ফল, তুলা চাষ পদ্ধতি, ত্বীন ফল, দলিলপত্র, ধানের খোল পচা রোগ, ধানের পাতা পোড়া রোগ, ধানের ব্লাস্ট, ধানের লক্ষ্মীর গু, নর্থ বেঙ্গল গ্রে ক্যাটল, নারিকেল, নার্সারি, নীল, পটাশ, পাউলোনিয়া, পাবনা ক্যাটল, পেট ফাঁপা ও ডায়রিয়া, ফসলের পুষ্টি ঘাটতির লক্ষণ, বাঁশ, বাদামি দাগ রোগ, বারি জ্যাক শিম-১, বালাইনাশক, বিইউ শিম ৫, বিসিএস স্কোর, বেলজিয়ান ব্লু, ব্রয়লার, ব্রয়লার মুরগি, ব্লাড প্রোটোজোয়া, ব্ল্যাক বেঙ্গল, ভেড়া পালন, মহিষ, মহিষ পালন, মাছ, মাছ চাষ, মাজরা পোকা, মাটির স্বাস্থ্য, মিরকাদিমের সাদা গরু, মুন্সীগঞ্জ জাতের গরু, মুরগির টিকা. ময়ূরের খামার, রাসায়নিক সার, রেড চিটাগাং ক্যাটল, লাউ, লিভার টনিক, লেবু, লেয়ার মুরগি পালন, শুকর পালনশেড নির্মাণ, সংকর জাতের গরু, স্টিভিয়া, স্ট্রবেরি চাষ, হাঁস পালন, হাঁস-মুরগি পালন, হাজল পদ্ধতিতে মুরগীর বাচ্চা ফুটানো

#utagrobd #krishibd #agrofarm #cowfarm #gotfarm #ইউটিএগ্রোবিডি #ইউটিএগ্রো #এগ্রোবিডি #youtiagrobd
 মৌসুমি ফলের ভরা রাঙামাটি শহরের নৌযানে

মৌসুমি ফলের ভরা রাঙামাটি শহরের নৌযানে




 মৌসুমি ফলের ভরা মৌসুম এখন। বিশেষ করে কাঁঠাল, আনারস, আম ও লিচু। সকাল থেকে চাষিরা নৌযানে করে এসব ফলের সমারোহ নিয়ে হাটে আসেন। সপ্তাহের শনি ও বুধবার বসে এই ভাসমান হাট। সম্প্রতি রাঙামাটি শহরের বনরূপা থেকে ছবিগুলো তোলা হয়েছে।








...............................................................TAG...................................................................................

ফসল, পশু-পাখি পালন, কৃষি প্রযুক্তি, শাক-সবজি, crops, দানাশস্য, পশু-পাখির রোগ, ডিজিটাল বই, মৎস্য চাষ, পশুপাখির খাদ্য, বিবিধ, অর্থকরী ফসল, বায়োফ্লক, জৈব, কৃষি, ডাল, ১২ মাসের রুটিন, গরুর জাত, তেলবীজ, ফসলের রোগ, গরু, মসলা, ছাগল পালন, ধানের রোগ, ফল, ঔষধি উদ্ভিদ, চাষ পদ্ধতি, পেঁয়াজ, ভেষজ, livestock, ছাগলের খামার, ধান, নগরকৃষি, মুরগির জাত, হাইড্রোপনিক, ওষুধি গাছ, গরু মোটাতাজাকরণ, জমিজমা, তুলা-রেশম ,দেশী জাতের গরু, প্রাণী অধিকার, ভ্যাকসিন, সাথি ফসল, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি, ছাগল, ছাগলের জাত, ছাদবাগান, বিকল্প খামার, বিদেশী ফসল ,ভূমি পরিমাপ, মোটাতাজাকরণ, লাইভস্টক, garden ,আলু, গরুর খামার, ডেইরি, দুগ্ধ খামার, ফলের বাগান, ভেড়া, মুরগি, মুরগী হাইড্রোপনিক পদ্ধতি,chicken grass, আদি জাত, আন্তঃফসল, ইউরিয়া, উন্নত জাত, এমওপি ,কাঠ, কৃমিনাশক, কৃষি ক্যালেন্ডার, কোল্ড ইনজুরি, ক্যাপসিকাম, ক্রনিক ব্লট, খরগোশ, খাঁচায় মাছ চাষ, খাটো হাইব্রিড নারিকেল, খেসারি, খড়ের পুষ্টিগুণ, গরু হিটে না আসার কারণ, গরুর খাবার, গরুর শেড, গরুর-জাত, গাভী পালন, গাড়ল, গোখাদ্য, ঘোড়া শিম, চট্টগ্রামের লাল গরু, চিংড়ি, চোখের কৃমি, ছাগল পরিবহন, জিঙ্ক, জৈব বালাইদমন, টমেটো চাষ, টিএসপি, ডিওপি, ড্যাপ, ড্রাগন ফল, তুলা চাষ পদ্ধতি, ত্বীন ফল, দলিলপত্র, ধানের খোল পচা রোগ, ধানের পাতা পোড়া রোগ, ধানের ব্লাস্ট, ধানের লক্ষ্মীর গু, নর্থ বেঙ্গল গ্রে ক্যাটল, নারিকেল, নার্সারি, নীল, পটাশ, পাউলোনিয়া, পাবনা ক্যাটল, পেট ফাঁপা ও ডায়রিয়া, ফসলের পুষ্টি ঘাটতির লক্ষণ, বাঁশ, বাদামি দাগ রোগ, বারি জ্যাক শিম-১, বালাইনাশক, বিইউ শিম ৫, বিসিএস স্কোর, বেলজিয়ান ব্লু, ব্রয়লার, ব্রয়লার মুরগি, ব্লাড প্রোটোজোয়া, ব্ল্যাক বেঙ্গল, ভেড়া পালন, মহিষ, মহিষ পালন, মাছ, মাছ চাষ, মাজরা পোকা, মাটির স্বাস্থ্য, মিরকাদিমের সাদা গরু, মুন্সীগঞ্জ জাতের গরু, মুরগির টিকা. ময়ূরের খামার, রাসায়নিক সার, রেড চিটাগাং ক্যাটল, লাউ, লিভার টনিক, লেবু, লেয়ার মুরগি পালন, শুকর পালনশেড নির্মাণ, সংকর জাতের গরু, স্টিভিয়া, স্ট্রবেরি চাষ, হাঁস পালন, হাঁস-মুরগি পালন, হাজল পদ্ধতিতে মুরগীর বাচ্চা ফুটানো

#utagrobd #krishibd #agrofarm #cowfarm #gotfarm #ইউটিএগ্রোবিডি #ইউটিএগ্রো #এগ্রোবিডি #youtiagrobd
শস্য রপ্তানিতে রাজি পুতিন

শস্য রপ্তানিতে রাজি পুতিন

 



রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, ইউক্রেন থেকে শস্য রপ্তানিতে মস্কোর কোনো সমস্যা নেই। ইউক্রেনের বন্দর, রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণাধীন অন্য বন্দর এমনকি মধ্য ইউরোপ হয়েও রপ্তানি হতে পারে। ইউক্রেনে রুশ অভিযানকে কেন্দ্র করে বিশ্বজুড়ে খাদ্য সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কার প্রেক্ষাপটে গতকাল শুক্রবার এসব কথা বলেন তিনি। খবর এএফপির।

ইউক্রেন থেকে শস্য রপ্তানিতে রাশিয়া বাধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ করে আসছে পশ্চিমা বিশ্ব। শুক্রবার টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পুতিন বলেছেন, এমন দাবির মধ্য দিয়ে পশ্চিমারা রাশিয়ার বিরুদ্ধে হুংকার দিচ্ছে। তিনি বলেন, ইউক্রেন থেকে শস্য রপ্তানিতে কোনো সমস্যা নেই।

আজভ সাগরে ইউক্রেনের মারিউপোল ও বেরদিয়ানস্ক বন্দর দিয়ে রপ্তানির সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট। এ দুটি বন্দরই এখন রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে আছে। পুতিন আরও বলেন, কিয়েভের নিয়ন্ত্রণাধীন বন্দরগুলোকে বিশেষ করে ওডেসাকেও ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে এর জন্য কিয়েভকে ইউক্রেনের নিয়ন্ত্রণাধীন বন্দরগুলোর চারপাশের পানিসীমাকে মাইনমুক্ত করতে হবে। আর এর বিনিময়ে রাশিয়া নিরাপদে জাহাজ চলাচলের সুযোগ দেবে বলে আশ্বাস দেন পুতিন। তিনি আরও বলেন, রোমানিয়া, হাঙ্গেরি কিংবা পোল্যান্ড হয়ে দানিয়ুব নদীপথও ব্যবহার করা যেতে পারে।

পুতিন আরও বলেন, বেলারুশ হয়ে রপ্তানির পথটি সবচেয়ে সাধারণ, সহজ ও সুলভ হতে পারে। সেখান থেকে বাল্টিক বন্দরে যাবে, এরপর বাল্টিক সাগরে যাবে। আর তারপর বিশ্বের যেকোনো জায়গায় যেতে পারেন।

তবে তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, বেলারুশ হয়ে যেকোনো রপ্তানির বিষয় শর্তসাপেক্ষ হতে পারে। মিনস্কের বিরুদ্ধে পশ্চিমাদের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার শর্ত দেওয়া হতে পারে।

...............................................................TAG...................................................................................

ফসল, পশু-পাখি পালন, কৃষি প্রযুক্তি, শাক-সবজি, crops, দানাশস্য, পশু-পাখির রোগ, ডিজিটাল বই, মৎস্য চাষ, পশুপাখির খাদ্য, বিবিধ, অর্থকরী ফসল, বায়োফ্লক, জৈব, কৃষি, ডাল, ১২ মাসের রুটিন, গরুর জাত, তেলবীজ, ফসলের রোগ, গরু, মসলা, ছাগল পালন, ধানের রোগ, ফল, ঔষধি উদ্ভিদ, চাষ পদ্ধতি, পেঁয়াজ, ভেষজ, livestock, ছাগলের খামার, ধান, নগরকৃষি, মুরগির জাত, হাইড্রোপনিক, ওষুধি গাছ, গরু মোটাতাজাকরণ, জমিজমা, তুলা-রেশম ,দেশী জাতের গরু, প্রাণী অধিকার, ভ্যাকসিন, সাথি ফসল, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি, ছাগল, ছাগলের জাত, ছাদবাগান, বিকল্প খামার, বিদেশী ফসল ,ভূমি পরিমাপ, মোটাতাজাকরণ, লাইভস্টক, garden ,আলু, গরুর খামার, ডেইরি, দুগ্ধ খামার, ফলের বাগান, ভেড়া, মুরগি, মুরগী হাইড্রোপনিক পদ্ধতি,chicken grass, আদি জাত, আন্তঃফসল, ইউরিয়া, উন্নত জাত, এমওপি ,কাঠ, কৃমিনাশক, কৃষি ক্যালেন্ডার, কোল্ড ইনজুরি, ক্যাপসিকাম, ক্রনিক ব্লট, খরগোশ, খাঁচায় মাছ চাষ, খাটো হাইব্রিড নারিকেল, খেসারি, খড়ের পুষ্টিগুণ, গরু হিটে না আসার কারণ, গরুর খাবার, গরুর শেড, গরুর-জাত, গাভী পালন, গাড়ল, গোখাদ্য, ঘোড়া শিম, চট্টগ্রামের লাল গরু, চিংড়ি, চোখের কৃমি, ছাগল পরিবহন, জিঙ্ক, জৈব বালাইদমন, টমেটো চাষ, টিএসপি, ডিওপি, ড্যাপ, ড্রাগন ফল, তুলা চাষ পদ্ধতি, ত্বীন ফল, দলিলপত্র, ধানের খোল পচা রোগ, ধানের পাতা পোড়া রোগ, ধানের ব্লাস্ট, ধানের লক্ষ্মীর গু, নর্থ বেঙ্গল গ্রে ক্যাটল, নারিকেল, নার্সারি, নীল, পটাশ, পাউলোনিয়া, পাবনা ক্যাটল, পেট ফাঁপা ও ডায়রিয়া, ফসলের পুষ্টি ঘাটতির লক্ষণ, বাঁশ, বাদামি দাগ রোগ, বারি জ্যাক শিম-১, বালাইনাশক, বিইউ শিম ৫, বিসিএস স্কোর, বেলজিয়ান ব্লু, ব্রয়লার, ব্রয়লার মুরগি, ব্লাড প্রোটোজোয়া, ব্ল্যাক বেঙ্গল, ভেড়া পালন, মহিষ, মহিষ পালন, মাছ, মাছ চাষ, মাজরা পোকা, মাটির স্বাস্থ্য, মিরকাদিমের সাদা গরু, মুন্সীগঞ্জ জাতের গরু, মুরগির টিকা. ময়ূরের খামার, রাসায়নিক সার, রেড চিটাগাং ক্যাটল, লাউ, লিভার টনিক, লেবু, লেয়ার মুরগি পালন, শুকর পালনশেড নির্মাণ, সংকর জাতের গরু, স্টিভিয়া, স্ট্রবেরি চাষ, হাঁস পালন, হাঁস-মুরগি পালন, হাজল পদ্ধতিতে মুরগীর বাচ্চা ফুটানো

#utagrobd #krishibd #agrofarm #cowfarm #gotfarm #ইউটিএগ্রোবিডি #ইউটিএগ্রো #এগ্রোবিডি #youtiagrobd

Wednesday, June 1, 2022

মধ্যপ্রাচ্যে রপ্তানি হচ্ছে মুন্সিগঞ্জের সবজি!

মধ্যপ্রাচ্যে রপ্তানি হচ্ছে মুন্সিগঞ্জের সবজি!

 


গত কয়েক বছরের মত এবারও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন্ দেশে রপ্তানি শুরু হয়েছে মুন্সিগঞ্জের সবজি। ঢাকার পাইকাররা মুন্সিগঞ্জ থেকে সবজি কিনে সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতারসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করছেন। মুন্সিগঞ্জের সবজি শুধু বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে না দেশের বড় বড় পাইকারি বাজারেও বিক্রি হচ্ছে।


সদররের আড়তদাররা জানান, এবার মুন্সিগঞ্জের সদর ও টঙ্গিবাড়ী উপজেলার বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে চাষ হয়েছে করলা, উস্তা, চিচিঙ্গা, লাউ, চালকুমড়া, ধুন্দলসহ বিভিন্ন সবজি। ঢাকা থেকে পাইকরারা এসে এবার এসব সবজি কিনে নিয়ে বিদেশে পাঠাচ্ছেন। বাজারে সবজির সরবারহ বেড়েছে কিন্তু দামও কমেছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি সবজিতে কমেছে ৫ থেকে ১০ টাকা।

বজ্রযোগীনি বাজারের আক্তার ট্রেড্রার্সের মালিক আক্তার হোসেন বলেন, আমার আড়তে ঢাকা থেকে সাপ্লাইয়ের গাড়ি আসে। এখান থেকে প্যাকিং করে সরাসরি বিমানবন্দরে চলে যায়।

তিনি আরও বলেন, শুধু আমার আড়তেই এই মৌসুমে প্রতিদিন ১ হাজার মণের ওপরে সবজি বিক্রি হয়েছে। তবে এ বছর সবজির দাম কিছুটা কম।

আরেক ব্যবসায়ী ইউসুফ শেখ বলেন, আমরা কৃষকের বিষমুক্ত সবজি আনি। আমাদের বাজারের সবজি দুবাই, কাতার, কুয়েতসহ বিভিন্ন দেশে যায়। আবার দেশের মধ্যে ময়মনসিংহ, বরিশাল, রংপুর, দিনাজপুর, কুমিল্লা, ফরিদপুর, ঢাকা, গাজীপুরের বিভিন্ন আড়তে যায়।

বজ্রযোগিনী এলাকার কৃষক সুমন বলেন, ৭ গন্ডা জমিতে সবজি চাষ করছি। ৪০ হাজার টাকা খরচ হইছে। এ পর্যন্ত ১৭ থেকে ১৮ হাজার টাকা বিক্রি করছি। কিন্তু সিলেটের বন্যায় জমি তলিয়ে যাচ্ছে। এখন তো সবই লস হইব। যদি বন্যা না হইত, তাহলে এবার আরও লাভবান হইতাম।

মুন্সিগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচারক মো. খোরশেদ আলম বলেন, আমাদের তত্ত্বাবধানে একটি প্রকল্পের আওতায় ওই এলাকার কৃষকরা বিষমুক্ত সবজি উৎপাদনে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন। তবে এখন পর্যন্ত শতভাগ বিষমুক্ত সবজি উৎপাদিত হয়নি। তবে আমাদের পক্রিয়ার মাধ্যমে উৎপাদিত সবজি দেশের অন্যান্য এলাকার সবজির তুলনায় গুণগতমান ভালো। আমাদের তত্ত্বাবধানে উৎপাদিত সবজি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যায়।

তিনি আরও বলেন, মানুষ খাল-বিল ভরাট করে পয়োনিষ্কাশনব্যবস্থা বন্ধ করে যত্রতত্র হাউজিং প্লট তৈরি করছে। ফলে পানি নামতে পারছে না। এ কারণে অসময়ে কৃষকের জমি তলিয়ে যাচ্ছে।


...............................................................TAG...................................................................................

ফসল, পশু-পাখি পালন, কৃষি প্রযুক্তি, শাক-সবজি, crops, দানাশস্য, পশু-পাখির রোগ, ডিজিটাল বই, মৎস্য চাষ, পশুপাখির খাদ্য, বিবিধ, অর্থকরী ফসল, বায়োফ্লক, জৈব, কৃষি, ডাল, ১২ মাসের রুটিন, গরুর জাত, তেলবীজ, ফসলের রোগ, গরু, মসলা, ছাগল পালন, ধানের রোগ, ফল, ঔষধি উদ্ভিদ, চাষ পদ্ধতি, পেঁয়াজ, ভেষজ, livestock, ছাগলের খামার, ধান, নগরকৃষি, মুরগির জাত, হাইড্রোপনিক, ওষুধি গাছ, গরু মোটাতাজাকরণ, জমিজমা, তুলা-রেশম ,দেশী জাতের গরু, প্রাণী অধিকার, ভ্যাকসিন, সাথি ফসল, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি, ছাগল, ছাগলের জাত, ছাদবাগান, বিকল্প খামার, বিদেশী ফসল ,ভূমি পরিমাপ, মোটাতাজাকরণ, লাইভস্টক, garden ,আলু, গরুর খামার, ডেইরি, দুগ্ধ খামার, ফলের বাগান, ভেড়া, মুরগি, মুরগী হাইড্রোপনিক পদ্ধতি,chicken grass, আদি জাত, আন্তঃফসল, ইউরিয়া, উন্নত জাত, এমওপি ,কাঠ, কৃমিনাশক, কৃষি ক্যালেন্ডার, কোল্ড ইনজুরি, ক্যাপসিকাম, ক্রনিক ব্লট, খরগোশ, খাঁচায় মাছ চাষ, খাটো হাইব্রিড নারিকেল, খেসারি, খড়ের পুষ্টিগুণ, গরু হিটে না আসার কারণ, গরুর খাবার, গরুর শেড, গরুর-জাত, গাভী পালন, গাড়ল, গোখাদ্য, ঘোড়া শিম, চট্টগ্রামের লাল গরু, চিংড়ি, চোখের কৃমি, ছাগল পরিবহন, জিঙ্ক, জৈব বালাইদমন, টমেটো চাষ, টিএসপি, ডিওপি, ড্যাপ, ড্রাগন ফল, তুলা চাষ পদ্ধতি, ত্বীন ফল, দলিলপত্র, ধানের খোল পচা রোগ, ধানের পাতা পোড়া রোগ, ধানের ব্লাস্ট, ধানের লক্ষ্মীর গু, নর্থ বেঙ্গল গ্রে ক্যাটল, নারিকেল, নার্সারি, নীল, পটাশ, পাউলোনিয়া, পাবনা ক্যাটল, পেট ফাঁপা ও ডায়রিয়া, ফসলের পুষ্টি ঘাটতির লক্ষণ, বাঁশ, বাদামি দাগ রোগ, বারি জ্যাক শিম-১, বালাইনাশক, বিইউ শিম ৫, বিসিএস স্কোর, বেলজিয়ান ব্লু, ব্রয়লার, ব্রয়লার মুরগি, ব্লাড প্রোটোজোয়া, ব্ল্যাক বেঙ্গল, ভেড়া পালন, মহিষ, মহিষ পালন, মাছ, মাছ চাষ, মাজরা পোকা, মাটির স্বাস্থ্য, মিরকাদিমের সাদা গরু, মুন্সীগঞ্জ জাতের গরু, মুরগির টিকা. ময়ূরের খামার, রাসায়নিক সার, রেড চিটাগাং ক্যাটল, লাউ, লিভার টনিক, লেবু, লেয়ার মুরগি পালন, শুকর পালনশেড নির্মাণ, সংকর জাতের গরু, স্টিভিয়া, স্ট্রবেরি চাষ, হাঁস পালন, হাঁস-মুরগি পালন, হাজল পদ্ধতিতে মুরগীর বাচ্চা ফুটানো
#utagrobd #krishibd #agrofarm #cowfarm #gotfarm #ইউটিএগ্রোবিডি #ইউটিএগ্রো #এগ্রোবিডি
দেশে কফির প্রথম জাত উদ্ভাবন করলো (ইউটিএগ্রোবিডি)

দেশে কফির প্রথম জাত উদ্ভাবন করলো (ইউটিএগ্রোবিডি)

#utagrobd #krishibd #agrofarm #cowfarm #gotfarm #ইউটিএগ্রোবিডি #ইউটিএগ্রো #এগ্রোবিডি

 দেশে প্রথম কফির জাত উদ্ভাবন করলো বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) আওতাধীন খাগড়াছড়ির পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের বিজ্ঞানীরা। অনুমোদন মিললে এটিই হবে দেশের কফির প্রথম জাত বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ প্রসঙ্গে প্রকল্প পরিচালক আবু তাহের মাসুদ বলেন, “খুব শিগগির এটি অনুমোদনের জন্য কৃষি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। এটি হবে রোবাস্তা প্রজাতির একটি কফির উন্নত জাত। পাহাড়ে এর ফলন বেশ ভালো ও দ্রুত হয়। পোকার উপদ্রবও কম হয়। এছাড়াও দেশের আবহাওয়ায় কফি চাষ যোগ্য।

পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের বাগানের তত্ত্বাবধায়ক বলিন্দ্র ত্রিপুরা বলেন, প্রতিটি গাছ থেকে এক মৌসুমে সাত থেকে আট কেজি কফিফল তোলা যায়। রোপণের পর তিন বছরের মধ্যেই ফুল আসতে শুরু করে। গত বছর তাঁরা এই বাগান থেকে ৪৫০ কেজি কফি তুলতে পেরেছিলেন। এ বছরও এমনই হবে বলে মনে করছেন তিনি। আপাতত এগুলো গবেষণাকেন্দ্রের ভেতর বসানো মেশিনে প্রক্রিয়াজাত করে পরিচিতজনদের মধ্যে বিতরণ করা হচ্ছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) হর্টিকালচার উইংয়ের তথ্য মতে, ২০১৯-২০ অর্থবছরে কফির উৎপাদন এলাকা ছিল প্রায় ১১৮.৩ হেক্টর, মোট উৎপাদন ছিল প্রায় ৫৫.৭৫ টন। ডিএইয়ের উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ উইংয়ের তথ্য মতে, ২০১৯-২০ অর্থবছরে আমদানি করা প্রক্রিয়াজাত কফির পরিমাণ ছিল ৩২.৫১৭ টন। যার বাজারদর পাঁচ কোটি ৭০ লাখ টাকা।

বর্তমানে পাহাড়ের তিন জেলায় কফি উৎপাদিত হলেও এর মধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশই হয় বান্দরবানে। আশাজাগানিয়া খবর হলো, পার্বত্যাঞ্চল ছাড়াও উত্তরাঞ্চলের নীলফামারী ও রংপুর এবং টাঙ্গাইলে কফি চাষ শুরু হয়েছে।




...............................................................TAG...................................................................................

ফসল, পশু-পাখি পালন, কৃষি প্রযুক্তি, শাক-সবজি, crops, দানাশস্য, পশু-পাখির রোগ, ডিজিটাল বই, মৎস্য চাষ, পশুপাখির খাদ্য, বিবিধ, অর্থকরী ফসল, বায়োফ্লক, জৈব, কৃষি, ডাল, ১২ মাসের রুটিন, গরুর জাত, তেলবীজ, ফসলের রোগ, গরু, মসলা, ছাগল পালন, ধানের রোগ, ফল, ঔষধি উদ্ভিদ, চাষ পদ্ধতি, পেঁয়াজ, ভেষজ, livestock, ছাগলের খামার, ধান, নগরকৃষি, মুরগির জাত, হাইড্রোপনিক, ওষুধি গাছ, গরু মোটাতাজাকরণ, জমিজমা, তুলা-রেশম ,দেশী জাতের গরু, প্রাণী অধিকার, ভ্যাকসিন, সাথি ফসল, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি, ছাগল, ছাগলের জাত, ছাদবাগান, বিকল্প খামার, বিদেশী ফসল ,ভূমি পরিমাপ, মোটাতাজাকরণ, লাইভস্টক, garden ,আলু, গরুর খামার, ডেইরি, দুগ্ধ খামার, ফলের বাগান, ভেড়া, মুরগি, মুরগী হাইড্রোপনিক পদ্ধতি,chicken grass, আদি জাত, আন্তঃফসল, ইউরিয়া, উন্নত জাত, এমওপি ,কাঠ, কৃমিনাশক, কৃষি ক্যালেন্ডার, কোল্ড ইনজুরি, ক্যাপসিকাম, ক্রনিক ব্লট, খরগোশ, খাঁচায় মাছ চাষ, খাটো হাইব্রিড নারিকেল, খেসারি, খড়ের পুষ্টিগুণ, গরু হিটে না আসার কারণ, গরুর খাবার, গরুর শেড, গরুর-জাত, গাভী পালন, গাড়ল, গোখাদ্য, ঘোড়া শিম, চট্টগ্রামের লাল গরু, চিংড়ি, চোখের কৃমি, ছাগল পরিবহন, জিঙ্ক, জৈব বালাইদমন, টমেটো চাষ, টিএসপি, ডিওপি, ড্যাপ, ড্রাগন ফল, তুলা চাষ পদ্ধতি, ত্বীন ফল, দলিলপত্র, ধানের খোল পচা রোগ, ধানের পাতা পোড়া রোগ, ধানের ব্লাস্ট, ধানের লক্ষ্মীর গু, নর্থ বেঙ্গল গ্রে ক্যাটল, নারিকেল, নার্সারি, নীল, পটাশ, পাউলোনিয়া, পাবনা ক্যাটল, পেট ফাঁপা ও ডায়রিয়া, ফসলের পুষ্টি ঘাটতির লক্ষণ, বাঁশ, বাদামি দাগ রোগ, বারি জ্যাক শিম-১, বালাইনাশক, বিইউ শিম ৫, বিসিএস স্কোর, বেলজিয়ান ব্লু, ব্রয়লার, ব্রয়লার মুরগি, ব্লাড প্রোটোজোয়া, ব্ল্যাক বেঙ্গল, ভেড়া পালন, মহিষ, মহিষ পালন, মাছ, মাছ চাষ, মাজরা পোকা, মাটির স্বাস্থ্য, মিরকাদিমের সাদা গরু, মুন্সীগঞ্জ জাতের গরু, মুরগির টিকা. ময়ূরের খামার, রাসায়নিক সার, রেড চিটাগাং ক্যাটল, লাউ, লিভার টনিক, লেবু, লেয়ার মুরগি পালন, শুকর পালনশেড নির্মাণ, সংকর জাতের গরু, স্টিভিয়া, স্ট্রবেরি চাষ, হাঁস পালন, হাঁস-মুরগি পালন, হাজল পদ্ধতিতে মুরগীর বাচ্চা ফুটানো
#utagrobd #krishibd #agrofarm #cowfarm #gotfarm #ইউটিএগ্রোবিডি #ইউটিএগ্রো #এগ্রোবিডি

Tuesday, May 31, 2022

গাভী হিটে আসার লক্ষণ ও পরবর্তী করণীয় (ইউটিএগ্রোবিডি)

গাভী হিটে আসার লক্ষণ ও পরবর্তী করণীয় (ইউটিএগ্রোবিডি)

 

#utagrobd #krishibd #agrofarm #cowfarm #gotfarm #ইউটিএগ্রোবিডি #ইউটিএগ্রো #এগ্রোবিডি

বর্তমান সময়ে আমাদের দেশে প্রচুর পরিমাণে গাভী পালন করা হচ্ছে। আর গাভী পালনে লাভবান হওয়ার জন্য সঠিক সময়ের মধ্যে বাচ্চা উৎপাদনের কোন বিকল্প নেই। আর উন্নত জাতের বাচ্চা উৎপাদনের জন্যই গাভীকে উন্নত জাতের বীজ প্রদান করা হয়। এই জন্য জানা দরকার খামারিদের গাভী কখন হিটে আসে সেই বিষয়ে সঠিক ধারণা থাকা উচিত।

গাভী হিটে আসার লক্ষণ ও করণীয় শিরোনামের বিষয়টি এগ্রিকেয়ার২৪.কম’র সাথে আলোচনা করেছেন রাজশাহী ডেইরি ফার্মারস অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি ও নারী উদ্দোক্তা সাথী আক্তার।

গাভী হিটে আসার লক্ষণ সমূহ সকল ডেইরি খামারিদের জন্য অবশ্যই জানা দরকার। আমাদের বাংলাদেশের বেশিরভাগ খামারিরা জানেন না গাভী কখন হিটে আসে বা হিটে আসার লক্ষণ কি কি আছে? আর এ সম্পর্কে সঠিক ধারণা না থাকার কারণে তারা সময়মতো গাভিকে বিজ দিতে ব্যর্থ হয় ফলে গাভী কনসিভ করে না বা বীজ রাখতে পারে না। জেনে নিন গাভীর হিটে আসার লক্ষণ ও করণীয় সম্পর্কে-

গাভী হিটে আসার লক্ষণ

মূলত প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মে একটি পূর্ণ বয়স্ক গাভী গর্ভধারণের জন্য হিটে আসে। প্রতিটি গাভী স্বাভাবিক নিয়মে ১৮ থেকে ২৪ দিন বিরতিতে ঋতুচক্রে ফিরে আসে। সাধারণত বেশিরভাগ গাভী রাতে হিটে আসতে দেখা যায়, ফলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ডাকে আসার লক্ষণ বোঝা যায় না।

গাভীর ডাকে থাকা অবস্থা প্রায় ৬ থেকে ১৮ ঘন্টা স্থায়ী হয়। এ সময়ে প্রথম ৮ থেকে ১০ ঘন্টা গাভী অস্থির থাকে, তার যৌনদ্বার দিয়ে স্বচ্ছ সুতোর মত আঠাযুক্ত পানি বের হয় এবং অন্য গাভীর উপর লাফিয়ে উঠতে চেষ্টা করে। গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হলো হিটে আসা গাভীর উপর অন্য গরু উঠলে সে নীরব থাকে। সাধারণত ডাকের লক্ষণ শুরু হওয়ার ১২ থেকে ১৮ ঘন্টা পর চূড়ান্ত ডাক আসে।

গাভী হিটে আসার সময় ছটপট করবে। স্থির থাকতে পারবেনা। কম খাবে। গাভীর মাজা মুড়াবে। আবার অনেক গরু আছে তারা হামলায় আবার অনেক গরু হামলায় না। লেজের গোড়া বা তার আশপাশের জায়গায় শুকনা আঁঠালো পদার্থ লেগে থাকে। উত্তেজনা পর্ব ১ দিন বা ২৪ ঘন্টা স্থায়ী থাকে। অন্য গাভীর যৌনাঙ্গ শুকতে থাকবে।এছাড়া দুধ উৎপাদন কমে যাবে।

সতর্কতা ও করণীয়
উত্তেজনা ২৪ ঘন্টা স্থায়ী থাকে। আর আমাদের খামারি ভাইয়েরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে প্রথম দিকে সিমেন দিয়ে থাকেন। কিন্তু এভাবে বিজ দিলে কন্সেপ্ট না করার হার ৯৯%। সুতারাং এই ধাপে কখনোই গাভীকে বীজ বা সিমেন দেওয়া যাবে না।
অপুষ্টি, আবহাওয়া, জলবায়ু, জাতের প্রভাব এবং বিশেষ করে প্রসবের পর ২/৩ ঋতুচক্রের সময় অনেক গাভীর ডাকে আসার লক্ষণ খুবই মৃদুভাবে প্রকাশ পায়। এসব ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ডাকের লক্ষণগুলি কমপক্ষে ২ ঘন্টা পর পর কাছ থেকে নজর রাখতে হয়। লেজের গোড়া বা তার আশপাশের জায়গায় শুকনা আঁঠালো পদার্থ লেগে আছে কিনা তা দেখতে হবে। এছাড়া আগের মাসের ডাকে আসার সঠিক দিনক্ষণ মনে রাখতে হবে।

প্রিয় খামারি মনে রাখতে হবে, গাভী বা গরুর যে কোন সমস্যা হলে প্রথমে আপনাকে যেতে হবে স্থানীয় প্রাণিসম্পদ অফিসে। অভিজ্ঞদের কাছ থেকে পরামর্শ নিয়ে আপনাকে সেবা দিতে হবে। 




...............................................................TAG...................................................................................

ফসল, পশু-পাখি পালন, কৃষি প্রযুক্তি, শাক-সবজি, crops, দানাশস্য, পশু-পাখির রোগ, ডিজিটাল বই, মৎস্য চাষ, পশুপাখির খাদ্য, বিবিধ, অর্থকরী ফসল, বায়োফ্লক, জৈব, কৃষি, ডাল, ১২ মাসের রুটিন, গরুর জাত, তেলবীজ, ফসলের রোগ, গরু, মসলা, ছাগল পালন, ধানের রোগ, ফল, ঔষধি উদ্ভিদ, চাষ পদ্ধতি, পেঁয়াজ, ভেষজ, livestock, ছাগলের খামার, ধান, নগরকৃষি, মুরগির জাত, হাইড্রোপনিক, ওষুধি গাছ, গরু মোটাতাজাকরণ, জমিজমা, তুলা-রেশম ,দেশী জাতের গরু, প্রাণী অধিকার, ভ্যাকসিন, সাথি ফসল, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি, ছাগল, ছাগলের জাত, ছাদবাগান, বিকল্প খামার, বিদেশী ফসল ,ভূমি পরিমাপ, মোটাতাজাকরণ, লাইভস্টক, garden ,আলু, গরুর খামার, ডেইরি, দুগ্ধ খামার, ফলের বাগান, ভেড়া, মুরগি, মুরগী হাইড্রোপনিক পদ্ধতি,chicken grass, আদি জাত, আন্তঃফসল, ইউরিয়া, উন্নত জাত, এমওপি ,কাঠ, কৃমিনাশক, কৃষি ক্যালেন্ডার, কোল্ড ইনজুরি, ক্যাপসিকাম, ক্রনিক ব্লট, খরগোশ, খাঁচায় মাছ চাষ, খাটো হাইব্রিড নারিকেল, খেসারি, খড়ের পুষ্টিগুণ, গরু হিটে না আসার কারণ, গরুর খাবার, গরুর শেড, গরুর-জাত, গাভী পালন, গাড়ল, গোখাদ্য, ঘোড়া শিম, চট্টগ্রামের লাল গরু, চিংড়ি, চোখের কৃমি, ছাগল পরিবহন, জিঙ্ক, জৈব বালাইদমন, টমেটো চাষ, টিএসপি, ডিওপি, ড্যাপ, ড্রাগন ফল, তুলা চাষ পদ্ধতি, ত্বীন ফল, দলিলপত্র, ধানের খোল পচা রোগ, ধানের পাতা পোড়া রোগ, ধানের ব্লাস্ট, ধানের লক্ষ্মীর গু, নর্থ বেঙ্গল গ্রে ক্যাটল, নারিকেল, নার্সারি, নীল, পটাশ, পাউলোনিয়া, পাবনা ক্যাটল, পেট ফাঁপা ও ডায়রিয়া, ফসলের পুষ্টি ঘাটতির লক্ষণ, বাঁশ, বাদামি দাগ রোগ, বারি জ্যাক শিম-১, বালাইনাশক, বিইউ শিম ৫, বিসিএস স্কোর, বেলজিয়ান ব্লু, ব্রয়লার, ব্রয়লার মুরগি, ব্লাড প্রোটোজোয়া, ব্ল্যাক বেঙ্গল, ভেড়া পালন, মহিষ, মহিষ পালন, মাছ, মাছ চাষ, মাজরা পোকা, মাটির স্বাস্থ্য, মিরকাদিমের সাদা গরু, মুন্সীগঞ্জ জাতের গরু, মুরগির টিকা. ময়ূরের খামার, রাসায়নিক সার, রেড চিটাগাং ক্যাটল, লাউ, লিভার টনিক, লেবু, লেয়ার মুরগি পালন, শুকর পালনশেড নির্মাণ, সংকর জাতের গরু, স্টিভিয়া, স্ট্রবেরি চাষ, হাঁস পালন, হাঁস-মুরগি পালন, হাজল পদ্ধতিতে মুরগীর বাচ্চা ফুটানো
#utagrobd #krishibd #agrofarm #cowfarm #gotfarm #ইউটিএগ্রোবিডি #ইউটিএগ্রো #এগ্রোবিডি
কীভাবে একটি সমন্বিত এগ্রো ফার্ম গড়ে তুলবেন  (ইউটিএগ্রোবিডি)

কীভাবে একটি সমন্বিত এগ্রো ফার্ম গড়ে তুলবেন (ইউটিএগ্রোবিডি)

#utagrobd #krishibd #agrofarm #cowfarm #gotfarm #ইউটিএগ্রোবিডি #ইউটিএগ্রো #এগ্রোবিডি


 খামারি উদ্যোক্তা হওয়ার আগে অবশ্যই কিছু বিষয় সম্পর্কে খুব ভালোভাবে জেনে নিতে হবে। সেগুলো হলো – কী খামার করবেন, কোন খামার সবচেয়ে বেশী লাভজনক, আপনার মূলধন ও অবকাঠামোর জন্য কোন খামার সবচেয়ে উপযোগী হবে ইত্যাদি। খামারের নানান সেক্টর রয়েছে, তার মধ্যে ডেইরি, পোল্ট্রি, ফিসারিজ ইত্যাদি সর্বাধিক জনপ্রিয়। তবে প্রকৃতপক্ষে সবচেয়ে কম বিনিয়োগে সর্বাধিক লাভজনক ফার্মিং বলতে গেলে সমন্বিত এগ্রো ফার্মিং সবার আগে আসে। সমন্বিত এগ্রো ফার্মে অল্প বিনিয়োগে অধিক পরিমাণ লাভ করা যায়। এই ধরণের ফার্মিং করলে বিনিয়োগের ১০ গুণ পর্যন্ত লাভ করা সম্ভব। তাছাড়াও সমন্বিত এগ্রো ফার্মে ঝুঁকির পরিমাণ খুব কম থাকে। সমন্বিত এগ্রো ফার্ম করার পূর্বে এই সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।

সমন্বিত এগ্রো ফার্ম কী?

সমন্বিত এগ্রো ফার্ম বলতে একই জায়গায় সব রকমের ফার্মিং করাকে বোঝায়। অর্থাৎ, এমন একটি ফার্ম যেখানে গরু, ছাগল, হাঁস, মুরগী, মাছ, সবজী সবকিছু পরিকল্পিতভাবে উৎপাদন করা হয়। সমন্বিত এগ্রো ফার্মে সুপরিকল্পিতভাবে সবকিছু এমনভাবে উৎপাদন করা হয় যেখানে একটি উৎপাদন অন্যটির উপর নির্ভরশীল এবং উৎপাদন ব্যয় অনেকাংশে কমে যায়। সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়, অপচয় হয়না বললেই চলে, নিয়মিত/প্রতিদিনই আয় আসে।

সমন্বিত এগ্রো ফার্মের একটি উদাহরণ:

ধরা যাক আপনার এক বিঘার একটি পুকুর আছে। আপনি সেখানে মাছ চাষ করেন। বছর শেষে এককালীন মাছ বিক্রি করে কিছু টাকা আসে। কোনো কারণে মাছ মরে গেলে বা সঠিক বৃদ্ধি না হলে সেই বছর আপনি কিছুই পাবেন না।

এবার আসি আপনি যদি পুকুরটিতে সমন্বিত খামার করেন তাহলে সেটা কেমন হবে।

আপনি পুকুরে মাছ ছাড়লেন। কিছু হাঁস পালন করলেন। হাঁসের উচ্ছিষ্ট খাবার ও বিষ্ঠা খেয়ে আপনার মাছ দিব্যি বেড়ে উঠবে। মাছের আলাদা কোনো খাবার লাগবেনা। এবার পুকুরের চারপাশে জাল টানিয়ে মাচা করে লাউ, করলা, ঝিঙ্গা, চিচিঙ্গা লাগালেন। সেগুলো সব পুকুরের মধ্যে মাচার উপর থাকবে। এবার পাড়ের চারপাশে লাউ গাছের ফাঁকে ফাঁকে পেঁপে গাছ লাগালেন। পেঁপে গাছ উপরে উঠে গেলো। তাহলে আপনি যথাযথ যত্ন নিলে পুকুরের আকারভেদে প্রতিদিন বা একদিন বাদে একদিন প্রচুর পরিমাণে লাউ, করলা, ঝিঙ্গা, চিচিঙ্গা বিক্রি করতে পারবেন। হাঁসের ডিম বিক্রি করতে পারবেন। লাউ, করলা, ঝিঙ্গা, চিচিঙ্গা এসবের ফুল, পাতা, হাঁসের উচ্ছিষ্ট খাবার ও বিষ্ঠা খেয়ে মাছও অনেক বেশী গ্রোথ পাবে। বছর শেষে এককালীন বেশ বড় অঙ্কের টাকার মাছ বিক্রি করতে পারবেন। এখানে একটা খারাপ হলেও অন্যটা আপনাকে পুষিয়ে নেওয়ার সুযোগ দেবে।

আরেকটু বিস্তারিত দেখে নেওয়া যাক।

ধরা যাক পুকুরের আয়তন ৩০০/২০০ ফিট। স্বাভাবিকভাবে বছরে ১ লক্ষ টাকার মাছ বিক্রি হয়।

এবার সমন্বিত ফার্মিং পদ্ধতিতে –

১০ ফিট অন্তর মোট ১০০ পিস লাউ গাছ লাগালেন।

লাউ গাছের ফাঁকে ফাঁকে একটা করে পেঁপে গাছ – ১০০ পিস পেঁপে গাছ।

১০০ পিস লাউ গাছ থেকে সপ্তাহে কমপক্ষে ১০০ পিস লাউ পাবেন যার বাজারমূল্য ৩০০০ টাকা, মাসে – ১২০০০, বছরে ১,৪০,০০০ টাকা। (এর বাইরে লাউ শাক বিক্রি তো আছেই!)

১০০ পিস পেঁপে গাছ থেকে সপ্তাহে কমপক্ষে ১০০ কেজি পেঁপে পাবেন যার বাজারমূল্য ২০০০ টাকা, মাসে – ৬০০০, বছরে ৭০,০০০ টাকা।

২০০ হাঁস পালন করলেন, প্রতিদিন অন্তত ১৬০/১৭০ টা ডিম পাবেন

বছর শেষে ১৫০,০০০ টাকার মাছ বিক্রি করলেন।

তাহলে দেখা যাচ্ছে আগে যেখানে বছরে সাকূল্যে ১ লক্ষ টাকা আয় হত সেখানে সমন্বিত এবং পরিকল্পিত ফার্মিং করে বছরে অনায়াসে ৫ লক্ষ টাকা আয় করা সম্ভব। তবে কঠোর পরিশ্রম করতে না পারলে বছরে একবার মাছ বিক্রি করেই সন্তুষ্ট থাকুন!!

সমন্বিত এগ্রো ফার্মের প্রধান বৈশিষ্টসমূহ:

জমির সর্বোত্তম ব্যবহার – সমন্বিত এগ্রো ফার্মের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট হল জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার এবং অপচয় সম্পূর্ণ রোধ করা। একটি পরিকল্পিত এগ্রো ফার্ম এমনভাবে তৈরি করা হয় যেখানে একটি সামান্য পাতা, এমনকি কোনো প্রাণীর বিষ্ঠা/বর্জ্য-ও নষ্ট হয়না। সবকিছুই কোনো না কোনোভাবে অর্থে পরিণত হয় বা অর্থ ব্যয় রোধ করে।

ঝুঁকি কম – সমন্বিত এগ্রো ফার্মে ঝুঁকি থাকে না বললেই চলে। একটিতে দূর্ঘটনা বা অন্য কোনো কারণে লোকসান হলে অন্যগুলো থেকে থেকে সেটি অনায়াসে পুষিয়ে নেওয়া যায়। একটি বা দুইটি পণ্যের বাজারমূল্য কমে গেলেও কোনো সমস্যা হয়না। কারণ সমন্বিত এগ্রো ফার্মে অনেক কিছু উৎপাদিত হয়।

স্বয়ংসম্পূর্ণতা – সমন্বিত এগ্রো ফার্ম একেবারেই স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে থাকে। এই ফার্মে পোষা প্রাণির খাবার খামারেই উৎপাদিত হয়। খামারেই উৎপাদিত হয় প্রয়োজনীয় জৈবসার। এমনকি বিদ্যুৎ, গ্যাস ও খামারেই উৎপাদনের ব্যবস্থা করা যায়। মোট কথায় সমন্বিত এগ্রো ফার্মমানেই একটি উৎপাদন চক্র।

আপনি ফার্ম করতে ইচ্ছুক? আপনি যদি ফার্ম করতে ইচ্ছুক হন, আপনার যদি ভালো উঁচু জমি, পুকুর থাকে এবং সেখানে বিনিয়োগ করতে চান তাহলে আমরা আপনাকে ফার্মের পরিকল্পনা/লে-আউট থেকে শুরু করে ফার্ম লাভজনক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া পর্যন্ত সকল প্রকার সহযোগিতা করবো। আমাদের সহযোগিতায় আপনার বিনিয়োগের ঝুঁকি একেবারেই কমে যাবে এবং লাভের সম্ভাবনা বহুগুণ বেড়ে যাবে। আপনার যদি ফার্মের প্রতি প্রবল আগ্রহ থাকে এবং আপনি কঠোর পরিশ্রমী হন তাহলে আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।


...............................................................TAG...................................................................................

ফসল, পশু-পাখি পালন, কৃষি প্রযুক্তি, শাক-সবজি, crops, দানাশস্য, পশু-পাখির রোগ, ডিজিটাল বই, মৎস্য চাষ, পশুপাখির খাদ্য, বিবিধ, অর্থকরী ফসল, বায়োফ্লক, জৈব, কৃষি, ডাল, ১২ মাসের রুটিন, গরুর জাত, তেলবীজ, ফসলের রোগ, গরু, মসলা, ছাগল পালন, ধানের রোগ, ফল, ঔষধি উদ্ভিদ, চাষ পদ্ধতি, পেঁয়াজ, ভেষজ, livestock, ছাগলের খামার, ধান, নগরকৃষি, মুরগির জাত, হাইড্রোপনিক, ওষুধি গাছ, গরু মোটাতাজাকরণ, জমিজমা, তুলা-রেশম ,দেশী জাতের গরু, প্রাণী অধিকার, ভ্যাকসিন, সাথি ফসল, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি, ছাগল, ছাগলের জাত, ছাদবাগান, বিকল্প খামার, বিদেশী ফসল ,ভূমি পরিমাপ, মোটাতাজাকরণ, লাইভস্টক, garden ,আলু, গরুর খামার, ডেইরি, দুগ্ধ খামার, ফলের বাগান, ভেড়া, মুরগি, মুরগী হাইড্রোপনিক পদ্ধতি,chicken grass, আদি জাত, আন্তঃফসল, ইউরিয়া, উন্নত জাত, এমওপি ,কাঠ, কৃমিনাশক, কৃষি ক্যালেন্ডার, কোল্ড ইনজুরি, ক্যাপসিকাম, ক্রনিক ব্লট, খরগোশ, খাঁচায় মাছ চাষ, খাটো হাইব্রিড নারিকেল, খেসারি, খড়ের পুষ্টিগুণ, গরু হিটে না আসার কারণ, গরুর খাবার, গরুর শেড, গরুর-জাত, গাভী পালন, গাড়ল, গোখাদ্য, ঘোড়া শিম, চট্টগ্রামের লাল গরু, চিংড়ি, চোখের কৃমি, ছাগল পরিবহন, জিঙ্ক, জৈব বালাইদমন, টমেটো চাষ, টিএসপি, ডিওপি, ড্যাপ, ড্রাগন ফল, তুলা চাষ পদ্ধতি, ত্বীন ফল, দলিলপত্র, ধানের খোল পচা রোগ, ধানের পাতা পোড়া রোগ, ধানের ব্লাস্ট, ধানের লক্ষ্মীর গু, নর্থ বেঙ্গল গ্রে ক্যাটল, নারিকেল, নার্সারি, নীল, পটাশ, পাউলোনিয়া, পাবনা ক্যাটল, পেট ফাঁপা ও ডায়রিয়া, ফসলের পুষ্টি ঘাটতির লক্ষণ, বাঁশ, বাদামি দাগ রোগ, বারি জ্যাক শিম-১, বালাইনাশক, বিইউ শিম ৫, বিসিএস স্কোর, বেলজিয়ান ব্লু, ব্রয়লার, ব্রয়লার মুরগি, ব্লাড প্রোটোজোয়া, ব্ল্যাক বেঙ্গল, ভেড়া পালন, মহিষ, মহিষ পালন, মাছ, মাছ চাষ, মাজরা পোকা, মাটির স্বাস্থ্য, মিরকাদিমের সাদা গরু, মুন্সীগঞ্জ জাতের গরু, মুরগির টিকা. ময়ূরের খামার, রাসায়নিক সার, রেড চিটাগাং ক্যাটল, লাউ, লিভার টনিক, লেবু, লেয়ার মুরগি পালন, শুকর পালনশেড নির্মাণ, সংকর জাতের গরু, স্টিভিয়া, স্ট্রবেরি চাষ, হাঁস পালন, হাঁস-মুরগি পালন, হাজল পদ্ধতিতে মুরগীর বাচ্চা ফুটানো
#utagrobd #krishibd #agrofarm #cowfarm #gotfarm #ইউটিএগ্রোবিডি #ইউটিএগ্রো #এগ্রোবিডি
 বাঁধা কপি জমি তৈরি ও চারা রোপণ পদ্ধতি (ইউটিএগ্রোবিডি)

বাঁধা কপি জমি তৈরি ও চারা রোপণ পদ্ধতি (ইউটিএগ্রোবিডি)


#utagrobd #krishibd #agrofarm #cowfarm #gotfarm #ইউটিএগ্রোবিডি #ইউটিএগ্রো #এগ্রোবিডি


Brassica oleracea var capitata

রবি মৌসুমের একটি প্রধান সবজি। দেশের প্রায় সব অঞ্চলেই বাঁধাকপির চাষ হয়। বাঁধাকপি একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর সবজি। এদেশে উৎপাদিত বাঁধাকপির প্রায় সব জাতই বিদেশী ও হাইব্রিড। সব জাতের বীজ এদেশে উৎপাদন করা যায়না। তবে এদেশে বীজ উৎপাদন করা যায় বারি উদ্ভাবিত এমন জাতও আছে।
 

পুষ্টি মূল্য

বাঁধাকপি একটি অন্যতম পুষ্টিকর পাতা জাতীয় সবজি। এত প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘ রয়েছে। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি বেশ উপকারী।

মাটি

অত্যধিক বেলে মাটি ছাড়া যে কোন ধরনের মাটিতে এটি জন্মে। বেলে দোঁআশ থেকে পলি দোঁআশ মাটি এ ফসলের জন্য উপযোগী।

জাত

আগাম জাত লাগাতে চাইলে লাগাতে হবে কে কে ক্রস এবং এক্সপ্রেস ক্রস জাত দুটি। মধ্যম সময়ের উপযোগী জাত হল কে ওয়াই ক্রয়এটলাস ৭০টোকিও প্রাইডগ্রীন এক্সপ্রেসপ্রভাতী ইত্যাদি। আর দেরীতে লাগাতে চাইলে লাগাতে হবে এটলাস ৭০লিও ৮০সেভয়রুবি বলড্রাম হেড ইত্যাদি। এ দেশের আবহাওয়ায় বীজ উৎপাদন করতে চইলে করতে হবে বারি বাঁধাকপি ২ (অগ্রদূত)ইপসা বাঁধাকপি ১। সমপ্রতিক আমদানীকৃত হাইব্রিড জাতসমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল সামার ওয়ারিয়র এফ ১লরেন্স এফ ১গ্রীন ৬২১ এফ ১সামার ষ্টার এফ ১গ্রীন কর্নেট এফ ১অটাম কুইন এফ ১সুপার ট্রপিক এফ ১সামার বয় এফ ১গ্রীন বল ৪০ এফ ১সুপ্রিম কুইন এফ ১ ইত্যাদি।
 

লাগানোর সময়
বাঁধাকপি শীতকালেই ভাল হয়। শীত মৌসুমে আগাম ও নাবী করেও চাষ করা যায়। তবে সমপ্রতি গ্রীষ্ম ও বর্ষকালেও বাঁধাকপি উৎপাদিত হচ্ছে। মৌসুমভেদে বাঁধাকপির বীজ বপনের সময় নিচে দেয়া হল-

সময়     বীজ বপনের সময়   চারা  রোপণের সময়           

আগাম    শ্রাবণ-ভাদ্র              ভাদ্র-আশ্বিন         

মধ্যম     আশ্বিন-কার্তিক          কার্তিক-আগ্রহায়ণ  

নাবি       অগ্রহায়ণ-মধ্য পৌষ    পৌষ-মধ্য মাঘ 


বীজের পরিমাণ

জাত ভেদে প্রতি শতকে ২-৩ গ্রামহেক্টর প্রতি ৫০০-৭০০ গ্রাম।


চারা উৎপাদন পদ্ধতি

বাঁধা কপির চারা বীজতলায় উৎপাদন করে জমিতে লাগানো হয়। বীজতলার আকার ১ মিটার পাশে ও লম্বায় ৩ মিটার হওয়া উচিত। সমপরিমাণ বালিমাটি ও জৈবসার মিশিয়ে ঝুরাঝুরা করে বীজতলা তৈরি করতে হয়। দ্বিতীয় বীজতলায় চারা রোপণের আগে ৭/৮ দিন পূর্বে প্রতি বীজতলায় ১০০ গ্রাম ইউরিয়া১৫০ গ্রাম টিএসপি ও ১০০ গ্রাম এমওপি সার ভালভাবে মিশিয়ে দিতে হবে। পরে চারা ঠিকমত না বাড়লে প্রতি বীজতলায় প্রায় ১০০ গ্রাম পরিমাণ ইউরিয়া সার ছিটিয়ে দেয়া ভাল।


জমি তৈরি ও চারা রোপণ

গভীর ভাবে ৪-৫টি চাষ দিয়ে মাটি ঝুরঝুরে করে তৈরি করতে হবে। বীজ বপনের ৩০-৩৫ দিন পর বা ৫/৬টি পাতা বিশিষ্ট ১০-১৫ সেন্টিমিটার লম্বা  চারা সাধারণতঃ বিকেল বেলা জমিতে রোপণ করতে হয়। তবে সুসও সবল হলে চারা এক-দেড় মাস বয়সের চারা রোপণ করা যায়। রোপণের জন্য সারি থেকে সারির দুরত্ব ৬০ সেন্টিমিটার  এবং প্রতি সারিতে চারা থেকে চারার দূরত্ব ৪৫ সেন্টিমিটার দিলে ভাল হয়। এ হিসেবে প্রতি শতকে ১৫০টির মত চারার প্রয়োজন হয়। আঙ্গিনায় ৫ মিটার লম্বা একটা বেডের জন্য ২০-২২টি চারার প্রয়োজন হয়। বেডে দুই সারিতে চারাগুলো লাগাতে হবে। আঙ্গিনায় লাগানোর জন্য যেহেতু কম চারার দরকার হয় সেজন্য কোন বিশ্বস- নার্সারি থেকে চারা কিনে লাগানো ভাল। তবে একটা বেডে বাঁধাকপির চারা তৈরি করে অল্পদিনের মধ্যেই তা বিক্রি করে যেমন অধিক লাভবান হওয়া যায় তেমনি নিজের প্রয়োজনও মেটানো যায়। এত ভাল চারা পাওয়াটা নিশ্চিত হয়।
 

সার প্রয়োগ ও সেচ দেয়া

প্রতি শতকে গোবর ১২৫ কেজিইউরিয়া ১ কেজিটিএসপি ৮০০ গ্রামএমওপি ৬৫০ গ্রাম সার দিতে হবে। সম্পূর্র্ণ গোবর ও টিএসপি সার জমি তৈরির সময় প্রয়োগ করতে হবে। ইউরিয়া  ও এমওপি সার ২ কিসি-তে চারা রোপণের ২০-২৫ দিন পর একবার এবং ৩০-৪০ দিন পর আর একবার উপরি প্রয়োগ করতে হবে। সার দেয়ার পর পরই সেচ দিতে হবে। এ ছাড়া ২-৩ দিন পর পরই সেচ দিতে হবে। গাছ বড় হবার সাথে সাথে দুই সারির মাঝখান থেকে মাটি তুলে সারি বরাবর আইলের মত করে দিতে হবে। ফলে  দুসারির মাঝে নালা তৈরি হবে। এতে সেচ দিতে বেশ সুবিধে হবে।


পোকা মাকড় ব্যবস্থাপনা

এদেশে বাঁধাকপির সবচে ক্ষতিকর পোকা হল মাথা খেকো লেদা পোকা। নাবী করে লাগালে সরুই পোকা বা ডায়মন্ড ব্যাক মথ বেশি ক্ষতি করে। বীজ উৎপাদনের জন্য চাষ করলে পুষ্পমঞ্জরীকে জাব পোকার হাত থেকে রক্ষা করতে হবে। অন্যান্য পোকার মধ্যে ক্রসোডলমিয়া লেদা পোকাবিছা পোকাঘোড়া পোকা ইত্যাদি মাঝে মাঝে ক্ষতি করে থাকে।


রোগ ব্যবস্থাপনা

বাঁধাকপির পাতায় দাগ ও কালো পচা রোগ প্রধান সমস্যা। এছাড়া চারা ধ্বসা বা ড্যাম্পিং অফমাথা পচা বা গ্রে মোল্ডক্লাব রুট বা গদাই মূলমোজেইকপাতার আগা পোড়া ইত্যাদি রোগও হয়ে থাকে।


ফসল সংগ্রহ ও ফলন

চারা রোপণের ৬০-৯০ দিন পর বাঁধাকপি সংগ্রহ করা যায়। প্রতিটি বাঁধাকপি গড়ে ২.৫ কেজি হয়। ফলন এক শতকে ১৫০-১৮০ কেজিহেক্টরে ৭৫-৮০ টনপ্রভাতী জাতের ফলন ১১০-১১০ টন/হেক্টর।





...............................................................TAG...................................................................................

ফসল, পশু-পাখি পালন, কৃষি প্রযুক্তি, শাক-সবজি, crops, দানাশস্য, পশু-পাখির রোগ, ডিজিটাল বই, মৎস্য চাষ, পশুপাখির খাদ্য, বিবিধ, অর্থকরী ফসল, বায়োফ্লক, জৈব, কৃষি, ডাল, ১২ মাসের রুটিন, গরুর জাত, তেলবীজ, ফসলের রোগ, গরু, মসলা, ছাগল পালন, ধানের রোগ, ফল, ঔষধি উদ্ভিদ, চাষ পদ্ধতি, পেঁয়াজ, ভেষজ, livestock, ছাগলের খামার, ধান, নগরকৃষি, মুরগির জাত, হাইড্রোপনিক, ওষুধি গাছ, গরু মোটাতাজাকরণ, জমিজমা, তুলা-রেশম ,দেশী জাতের গরু, প্রাণী অধিকার, ভ্যাকসিন, সাথি ফসল, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি, ছাগল, ছাগলের জাত, ছাদবাগান, বিকল্প খামার, বিদেশী ফসল ,ভূমি পরিমাপ, মোটাতাজাকরণ, লাইভস্টক, garden ,আলু, গরুর খামার, ডেইরি, দুগ্ধ খামার, ফলের বাগান, ভেড়া, মুরগি, মুরগী হাইড্রোপনিক পদ্ধতি,chicken grass, আদি জাত, আন্তঃফসল, ইউরিয়া, উন্নত জাত, এমওপি ,কাঠ, কৃমিনাশক, কৃষি ক্যালেন্ডার, কোল্ড ইনজুরি, ক্যাপসিকাম, ক্রনিক ব্লট, খরগোশ, খাঁচায় মাছ চাষ, খাটো হাইব্রিড নারিকেল, খেসারি, খড়ের পুষ্টিগুণ, গরু হিটে না আসার কারণ, গরুর খাবার, গরুর শেড, গরুর-জাত, গাভী পালন, গাড়ল, গোখাদ্য, ঘোড়া শিম, চট্টগ্রামের লাল গরু, চিংড়ি, চোখের কৃমি, ছাগল পরিবহন, জিঙ্ক, জৈব বালাইদমন, টমেটো চাষ, টিএসপি, ডিওপি, ড্যাপ, ড্রাগন ফল, তুলা চাষ পদ্ধতি, ত্বীন ফল, দলিলপত্র, ধানের খোল পচা রোগ, ধানের পাতা পোড়া রোগ, ধানের ব্লাস্ট, ধানের লক্ষ্মীর গু, নর্থ বেঙ্গল গ্রে ক্যাটল, নারিকেল, নার্সারি, নীল, পটাশ, পাউলোনিয়া, পাবনা ক্যাটল, পেট ফাঁপা ও ডায়রিয়া, ফসলের পুষ্টি ঘাটতির লক্ষণ, বাঁশ, বাদামি দাগ রোগ, বারি জ্যাক শিম-১, বালাইনাশক, বিইউ শিম ৫, বিসিএস স্কোর, বেলজিয়ান ব্লু, ব্রয়লার, ব্রয়লার মুরগি, ব্লাড প্রোটোজোয়া, ব্ল্যাক বেঙ্গল, ভেড়া পালন, মহিষ, মহিষ পালন, মাছ, মাছ চাষ, মাজরা পোকা, মাটির স্বাস্থ্য, মিরকাদিমের সাদা গরু, মুন্সীগঞ্জ জাতের গরু, মুরগির টিকা. ময়ূরের খামার, রাসায়নিক সার, রেড চিটাগাং ক্যাটল, লাউ, লিভার টনিক, লেবু, লেয়ার মুরগি পালন, শুকর পালনশেড নির্মাণ, সংকর জাতের গরু, স্টিভিয়া, স্ট্রবেরি চাষ, হাঁস পালন, হাঁস-মুরগি পালন, হাজল পদ্ধতিতে মুরগীর বাচ্চা ফুটানো